ফের পুরুলিয়ায় বাজ পড়ে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু , আহত ৩ ,জেলাজুড়ে আতঙ্ক,চলতি মাসেই পুরুলিয়ায় বাজ পড়ে ২০ জনেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়েছে ।
ফের পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর থানার চেলিয়ামাতে শুক্রবার বিকেলে বাজ পড়ে মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন জনের । জখম হয়েছে আরো একজন ।তার অবস্থাও সংকটজনক ।
জানা গেছে, বজ্রপাতে মৃত তিন জনের নাম হল রিনা বাউরি (২৩), তার স্বামী রঞ্জিত বাউরি (৩০) ও  রিঙ্কু বাউরি (২৮)।গুরুতর আহত রিঙ্কুর স্বামী সঞ্জয় বাউরি, এছাড়াও রঘুনাথপুর থানা এলাকার বাসিন্দা অঞ্জু বাউরী ও জোসনা বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন। তাদের রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।রঘুনাথপুর-চেলিয়ামা রাস্তার পাশে বাঁন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অদূরে চাষের জমিতে ধান রোপণের কাজ করছিল এরা প্রত্যেকে।ঐ সময় মাঠে চাষের জমিতে বাজ পড়লে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একই পরিবারের তিন জনের ।স্বামী স্ত্রী ও জা এর।গুরুতর আহত হয় ঐ পরিবারেরই আরেক জন।ঘটনাটি স্হানীয়দের নজরে আসতে তারা প্রত্যেককে উদ্ধার করে স্থানীয় বাঁন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এলে ঐ হাসপাতালে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ও একজনকে ঐ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিত্সার জন্য অন্যত্র স্থানান্তরিত করে।
এদিকে ঘটনার জেরে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক ।এমনকি মাঠে কাজ করার সময় মহিলারা মেঘ দেখলেই আমন ধানের চারা রোপণ করার কাজ ছেড়ে দিয়ে বাড়ি পালিয়ে আসছে।ফলে,আমন ধানের চারা রোপণের কাজ ব্যাহত হচ্ছে ।


#ka_KHABARANANDA_PURULIA
বর্ষা মানেই আসে পাসের নানা জায়গায় জল জমা হয়ে ডেঙ্গু রোগধারি মশার জন্ম হওয়ার পালা। তাই  ডেঙ্গু রোগ প্রতিরধের জন্য রাঘুনাথপুর পৌরসভা বিশেষ উদ্যোগ নিলেন, শুক্রবার রঘুনাথপুর পুরসভার বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ করার জন্য, মসা তাড়াতে উদ্যত হল পৌরসভার একদল কর্মচারী ও রাঘুনাথপুর কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা। সঙ্গে ছিলেন রঘুনাথপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান ভবেশ চট্টোপাধ্যায় ও রাঘুনাথপুর কলেজের অধ্যক্ষ ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় । এই দিন রাঘুনাথপুর কলেজ ও রাঘুনাথপুর মহুকুমা হাসপাতালের আশেপাশে অভিযান চালায় এই দল। পৌরপ্রধান ভবেশ চট্টোপাধ্যায় জানান  পৌরসভার তরফ থেকে পৌরসভার সমস্ত এলাকায় অভিযান চলছে  ।

#KHABARANANDA_PURULIA
১৫ আগষ্টের আগে স্টেশন,,ট্রেনের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ তল্লাশী অভিযান চালালো আদ্রার আর পি এফ।।বুধবার স্নিফার ডগ,,মেট্যাল ডিটেক্টার নিয়ে আদ্রা স্টেশন ও লাগোয়া এলাকায় তল্লাশী চালিয়েছেন আর পি এফের কর্মীরা।।ঘন্টাখানেক সময় ধরে তারা ঘুরেছেন স্টেশনের প্লাটফর্মগুলি।।ট্রেনে উঠে যাত্রীদের সাথে থাকা লাগেজ পরীক্ষা করা হয়েছে।।তবে তল্লাশীতে কিছু পাওয়া যায়নি বলে আর পি এফ সূত্রে জানা গেছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তার কারণে লাগাতার এই তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আরপিএফ। আর পি এফ এর এই তল্লাশি অভিযানে খুশি সাধারণ যাত্রী।


#khabarananda_Purulia
দিদিকে বলো- জনসংযোগ কর্মসূচিতেও এড়ান গেলনা তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।।একই পঞ্চায়েতে পাশাপাশি দুই গ্রামে গিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচিতে সামিল হতে দেখা গেল রাজ্যর শাষক দলের দুই গোষ্ঠীর নেতাদের।।ঘটনাটি পুরুলিয়া জেলার হুড়া ব্লকের।।রবিবার সন্ধ্যায় মানবাজার বিধানসভার হুড়া ব্লকের দলদলি পঞ্চায়েতের দলদলি গ্রামে জনসংযোগে গিয়েছিলেন মানবাজারের বিধায়ক তথা রাজ্যর আদিবাসী অনগ্রসর দফতরের মন্ত্রী সন্ধ্যারানী টুডু।।মন্ত্রীর সাথে ছিলেন হুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রসেনজিত মাহাতো।।সমিতির সভাপতির সাথে তৃণমূলের  হুড়া ব্লক সভাপতির মধ্যে বিরোধ দল পরিচালনা সহ অন্যান আরো কয়েকটি বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে।তাই দলদলি গ্রামের ওই জনসংযোগ কর্মসূচিতে না গিয়ে বরঞ্চ একই পঞ্চায়েতের পাশের গ্রাম ভাগাবাধে পাল্টা দিদিকে বলো কর্মসূচি করলেন ব্লক সভাপতি শ্যাম নারায়ন মাহাতো।।ঘটনাক্রমে বিধায়ক তথা মন্ত্রীর সামনেই দলের অভ্যন্তরীন বিবাদ স্পষ্ট করে দিয়ে দলদলি গ্রামের দলের পঞ্চায়েত সদস্য নমিতা মাহাতো অগনতান্ত্রিক ভাবে পঞ্চায়েত চালানোর অভিযোগ তুলেছেন ব্লক সভাপতির ঘনিষ্ট পঞ্চায়েত প্রধান সরস্বতী এর বিরুদ্ধে।।তবে ওই ব্লকে দলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এলেও স্বীকার করতে চাননি মন্ত্রী। এই গ্রামে সেদিন রাত্রি যাপন করেন মন্ত্রী।


#Khabar_ananda_purulia
রবিবার বীর বিপ্লবী শহীদ ক্ষুদিরামের ১১২ তম আত্মোৎসর্গ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল রঘুনাথপুর শহরে। উল্লেখ্য গত ২ বছর আগে এই দিনটিতেই আপামোর রঘুনাথপুরবাসির সমর্থনে "শহীদ ক্ষুদিরাম স্মৃতিরক্ষা কমিটির উদ্যোগে "শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ণাবয়ব মুর্তি। সেই মূর্তির পাদদেশে আজ শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসুচী নেওয়া হয়। মাল্যদানের মধ্যদিয়ে কর্মসূচী শুরু হয়। আবৃত্তি, গান এবং আজকের দিনে ক্ষুদিরামের মতো বিপ্লবীদের জীবন চর্চার প্রয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়। এই কর্মসূচীতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রঘুনাথপুর শহরের চেয়ারম্যান ভবেশ চ্যাটার্জী ও শহরের বিশিষ্ট জনেরা।তাছাড়াও শহর ও পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার মানুষ উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন।


#khabar_ananda #purulia
ফোনে আলাপ, সেই থেকে প্রেম। আর সেই প্রেমের টানেই তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বাসায় পাড়ি দিয়েছিলেন পুরুলিয়ার ঝালদার থানার হোসেনডি গ্রামের  বিচ্ছিন্না মহিলা। কিন্তু সেই যাত্রাই যে তার জীবনে এহেন পরিণতি ডেকে আনবে তা হয়তো স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তিনিও। প্রেমিক মোহাম্মদ শেখ এর সাথে ফোনে যোগাযোগ, সেই থেকে প্রেম। গত ২৫শে জুলাই মেয়েকে নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পাড়ি দেয় ঝাড়খণ্ডের উদ্দেশ্যে। এরপর জামশেদপুর স্টেশনে তারা নামেন অন্য ট্রেনের অপেক্ষায়। দীর্ঘ ট্রেন যাত্রার ধকল আর ক্লান্তি কাটাতে স্টেশনেই কিছুক্ষন জিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। কিন্তু কিছুক্ষন পরেই তিনি খেয়াল করেন তার ছোট্ট বছর তিনেকের মেয়ে কে দেখতে না পাওয়ায় ষ্টেশনে তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।বিষয়টি তিনি রেল পুলিশকে জানালে পুলিশ মোহম্মদ শেখকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করতেই জানা যায় তার আসল নাম মনু মণ্ডল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে সে শিশু চুরির কথা অস্বীকার করে। ইতিমধ্যেই টাটানগর জিআরপি স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে আরম্ভ করেন। ধরা পড়ে এক ব্যক্তির ছবি যে শিশুটিকে নিয়ে স্টেশনের বাইরে চলে যাচ্ছে। টাটানগর জিআরপি ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে জামশেদপুরের বাসিন্দা রিঙ্কু শাহ ও পলাশ কুমার কে গ্রেফতার করে। তাদের নিয়ে টেলকোর রামদিন বাগান সংলগ্ন প্রাচীরের পাশের ঝোপ থেকে  তিন বছরের এক শিশু কন্যার মুণ্ডুহীন মৃতদেহ উদ্ধার করে। শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।  মহিলা শিশুটির দেহ শনাক্ত করাতে গেলে নিজেরে সন্তানের এহেন অবস্থা দেখে জ্ঞান হারান তিনি।পুলিশি কুকুর লাগিয়ে ওই শিশুটির মাথার অংশ খোঁজার চেষ্টা করলেও পুলিশ ব্যর্থ হয়। ।টাটানগর জিআরপির দাবি ধৃত দুজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ঘটনার ভয়াবহ সত্যতা সামনে আসে। ধৃতদের বয়ান থেকে জানা গেছে তিন বছরের ওই শিশুটিকে তারা অপহরণ ও ধর্ষণ করে। এরপর তার গলা কেটে তাকে হত্যা করে হয়।।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে ধৃত দুজনেই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য। রিঙ্কুর মা গিরিডি সদর দফতরে পুলিশকর্মী এবং কৈলাশের বাবা সিআরপিএফ জওয়ান। এহেন দুই পরিবারের দুই ছেলেই এহেন নৃশংসতায় শিউড়ে উঠেছে গোটা দেশ। পুলিশ তিন জনকে আদালতে পিস করলে বিচারক তাদের 14 দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার পর ঝালদা রোসূলডি এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শিশুর পরিবার থেকে এলাকার বাসিন্দা সকলেই চায় ধৃতদের ফাঁসির সাজা  হোক।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.