প্রশাসনের কড়া নির্দেশিকা সত্ত্বেও পিকনিক স্পটগুলিতে নজরদারির অভাবে দূষণ এড়ানো গেল না l পুলিশের চোখের সামনে উচ্চস্বরে বাজলো ডিজে বাজনা, ব্যবহার হলো থার্মোকলের পাতা l তাই বলা যায়, প্রশাসনের নির্দেশিকাকে অগ্রাহ্য করেই সাধারণ মানুষজন পিকনিক স্পটগুলিতে বর্জ্য পদার্থের ব্যবহার করলো l দূষিত হলো পরিবেশ।তাই একপ্রকার প্রশাসনের এই উদ্যোগ ব্যর্থ বলেই প্রমান হলো পুরুলিয়ায় l ইতিমধ্যেই ঠান্ডা পড়তেই জেলা জুড়ে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে l শুরু শুরু হয়েছে বনভোজন l জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনেকদিন আগেই পরিবেশ দূষণ রুখতে থার্মোকল ও ডিজে আওয়াজের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছিল l প্রচারও চালানোও হয়েছিল l জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। প্রশাসনের এই কথা মানা কিছু কিছু জায়গায় ব্যবহার হয়েছে থার্মোকলের পাতা বাদ দিয়ে শালপাতা ব্যবহার। কয়েকজন প্রজোটক চাইছেন থার্মোকল পাতার ব্যবহার বন্ধ করা হোক।
এ বিষয়ে জেলাশাসক অলকেশ প্রসাদ রায় দূষণের কথা স্বীকার করে বলেন, "কিছু কিছু জায়গায় ডিজে বাজনা ব্যবহার হয়েছে এবং থার্মোকলও ব্যবহার হয়েছে l আমরা তার খবর পেয়েছি l ডিজে বাজনার মালিকদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে l তবে আগামী দিনগুলিতে যাতে আর এরকম ঘটনা না তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হবে l যারা এই নির্দেশিকা অগ্রাহ্য করে থার্মোকল বা ডিজে বাজনা ব্যবহার করেন তাহলেই তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি l"
তবে গোটা জানুয়ারি মাস এখন বাকি l এই সবে বনভোজনের মরশুম শুরু l এখন দেখার আগামী দিনগুলিতে পিকনিক প্রেমীদের কাছ থেকে জেলায় দূষণ এড়াতে  প্রশাসন কতটা সফল হয় l
Byte জেলাশাসক অলোকেশ প্রসাদ রায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.