স্বর্ণ ব্যবসায়ী দম্পতি খুনের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলও দুজন কে 6 বছরের কারাদণ্ড দিল পুরুলিয়া জেলা আদালত। শুক্রবার জেলা আদালতের দায়রা বিচারক বিশ্বরূপ চৌধুরী তিনজনের  সাজা ঘোষণা করেন। 2012 সালের 28 এপ্রিল পুরুলিয়া শহরের নীলকুঠি ডাঙ্গার বাসিন্দা স্বর্ণ ব্যবসায়ী রামেশ্বর কোঠারি ও তার স্ত্রী সুশিলা দেবি কোঠারি রক্তাক্ত মৃতদেহ তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারেন ভাড়াটিয়া খুনি কে দিয়ে খুন করানো হয়েছে ব্যবসায়ী দম্পত্তিকে। পুলিশ তদন্তে নেমে ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করে সেই চিরকুট সূত্র ধরেই শহরের এই ব্যবসায়ীর উপর নজর রাখতে শুরু করে পুলিশ।খুন করার পর স্বর্ণব্যবসায়ীদের ফোনটি দুষ্কৃতীরা নিয়ে যায়।খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র টির এবং ফোনের সিমটি শহরের সাহেব বাঁধের ধারে ফেলে দেয়।ফোনের সিমটি শহরের এক যুবক কুড়িয়ে নিয়ে ব্যবহার করতে শুরু করে তারপরে যুবককে আটক করে পুলিশ।স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সিম কার্ডের কল কল  লিস্ট দেখে বিজয় আগারওয়াল এর উপরে সন্দেহ বারে। তারপর বিজয় কুমার আগরওয়ালকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জানা যায় খুনের পরিকল্পনা। তারপর দুই আত্মীয় ধীরাজ অগ্রবাল ও বিনীত আগারওয়ালকে দিল্ল্লী থেকে গ্রেপ্তার করে আনে পুলিশ। পুরুলিয়া শহরের নামোপাড়ায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী সোনার দোকান ছিল। মার্বেল ব্যবসায়ী বিজয় কুমার আগরওয়াল স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে সোনা বন্ধক রেখে কয়েক লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ফি মাসের সুদ না মিটাতে পেরে বিজয় কুমার আগারওয়াল ভাড়াটিয়া গুন্ডা দিয়ে ব্যবসায়ী দম্পতির খুন করেন। খুন করার পর ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে প্রচুর পরিমানের সোনার গয়না লুঠ করে দুষ্কৃতীরা।পড়ে সেই লুট হওয়া গয়না বিজয় আগারওয়াল এর বাড়ি থেকে এবং তার ব্যাংকের লকার থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। গতকালই তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয় আজ তাদের সাজা ঘোষণা করে বিচারক।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.